এফডিসিতে আর আসবো না যদি আপনারা সকল নিষেধাজ্ঞা, মামলা তুলে না নেন “বাপ্পারাজ”

79

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। গত ২১ আগস্ট সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। আজ শনিবার বিএফডিসিতে তার স্মরণে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার।

সকাল ১১টায় সদ্য প্রয়াত নায়করাজ রাজ্জাককে নিয়ে শোকসভার আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নায়করাজের বড় ছেলে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। এ সময় তিনি বলেন, ‘আর এফডিসিতে আসবো না যদি আপনারা সকল নিষেধাজ্ঞা, মামলা তুলে না নেন। হয়তো এটাই হবে আপনাদের সঙ্গে শেষ দেখা। আমিও হয় তো ভুল করে অনেক কথা বলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমি ভুল করেছি এজন্য নোটিশ পাঠানোর দরকার নেই, শাকিব ভুল করেছে এজন্য বয়কট করার দরকার কী? শাকিবকে ডাকলে শাকিব আসবে না কেন?’

শোকসভায় চলচ্চিত্রাঙ্গনের গুণী ব্যক্তিবর্গসহ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। শোকসভা ছাড়াও দিনব্যাপী নায়করাজকে নিয়ে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

শোকসভা ছাড়াও দিনব্যাপী নায়করাজকে নিয়ে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। গেলো ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান নায়করাজ রাজ্জাক।

নায়করাজ ১৯৪২ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে ঢাকায় আসেন তিনি। ১৯৬৭ সালে ‘বেহুলা’ ছবির মাধ্যমে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি।রাজ্জাক অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে—স্লোগান, আমার জন্মভূমি, অতিথি, কে তুমি, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, প্রিয়তমা, পলাতক, ঝড়ের পাখি, খেলাঘর, চোখের জলে, আলোর মিছিল, অবাক পৃথিবী, ভাইবোন, বাঁদী থেকে বেগম, সাধু শয়তান, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, মায়ার বাঁধন, গুণ্ডা, আগুন, মতিমহল, অমর প্রেম, যাদুর বাঁশী, অগ্নিশিখা, বন্ধু, কাপুরুষ, অশিক্ষিত, সখি তুমি কার, নাগিন, আনারকলি, লাইলী মজনু, লালু ভুলু, স্বাক্ষর, দেবর ভাবী, রাম রহিম জন, আদরের বোন, দরবার, সতীনের সংসার ইত্যাদি।

LEAVE A REPLY