গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে মাদারীপুর পিঠাপুলির উৎসব

168

মোনাসিফ ফরাজী সজীব :
পিঠাপুলির দেশ বাংলাদেশ। পিঠা এ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। পৌষের হিমেল হাওয়া ছাড়া যেমন শীতকে কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনি পিঠা ছাড়াও বাঙালির ঐতিহ্য ভাবা যায় না। তবে অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন পিঠা যেমন দেখা যায়, তেমনি একেকটি পিঠার বিভিন্ন নামও লক্ষ করা যায়। আর সেসব পিঠার নামের বাহার যেনো পিঠা খাওয়ার তৃপ্তি আরো বাড়িয়ে দেয়। এসব পিঠার মধ্যে বেশ পরিচিত কিছু
পিঠা- চিতই, ভাঁপা, পাটিসাপটা, নকশি, সেমাই, সাঁজের, রসের, তেলের, পাক্কুন, ডালের, বিউটি পাপড়ি, মাংস, পুলিপিঠা, সুন্দরী ডিমের পিঠা, কুমড়া পিঠা, আনারস পিঠা, ঝাল পিঠা, ছিছ পিঠা, ছি রুটি পিঠা ইত্যাদি।

মাদারীপুরবাসীকে পিঠা আস্বাদনের জন্য নানা এলাকার পিঠার সুগন্ধে ভরে উঠেছিল মাদারিপুর শিশু একাডেমির মাঠ। ২১টি স্টলে বাহারি পিঠার উপস্থাপন ও আধিক্য দেখা গেছেে উৎসবে। লোকজ এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে বাঙালির পিঠা পার্বেণর আনন্দধারায় এসডিএস এর আয়োজনে ও পিকেএসএফ এর সহযোগীতায় রবিবার সকালে মাদারীপুর শিশু একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম উদ্বোধন করেন ‘ পিঠা উৎসব ২০১৮’।

চারদিকে হিম হিম শীতল আবহাওয়া আর তার সাথে ভরে উঠেছিল বিভিন্ন অঞ্চলে হরেক নামের বাহারি সব সুগন্ধে মাদারীপুরের শিশু একাডেমির মাঠ। ছোট বড় সকল দর্শনাথীদের ভীর ছিল চোখে পড়ার মত।

দর্শনাথীরা বলেন দেশের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আজ আমরা এই পিঠা উৎসবে এসেছি। এখানে এমনো পিঠা দেখেছি যা কখনো আগে দেখি নাই। এই রকম আয়োজন আমরা প্রতিবছর দেখতে চাই।

মাদারীপুররের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম বলেন আমরা অনেক কষ্ট হবে বলে বাড়িতে পিঠা তৈরি করি না। তবে আমি মনে করি এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে সবার মাঝে ফুটিয়ে তুলবে এবং এই আয়োজন আরও বড় পরিসরে হওয়া উচিত।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও আগামী ভবিশৎ প্রজম্মকে জানাতে এই পিঠা উৎসবের আয়োজন প্রতি বছর করা হলে সবার জন্য ভাল হয় এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।

LEAVE A REPLY