ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পড়া নুসরাতের আকুতি ‘আমি আরো কিছুদিন বাঁচতে চাই’

343

ওভারিয়ান ক্যান্সার থেকে থাইরয়েড জটিলতা। ম্যলিগন্যান্সি, ব্রেস্টে সমস্যা- একের পর জটিলতায় ভুগছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পড়া শিক্ষার্থী নুসরাত মোস্তারী। এসবের ট্রিটমেন্ট করতে গিয়ে নিজেদের যা ছিল তা প্রায় শেষ। কিন্তু তাই বলে মৃত্যুকে স্বেচ্ছায় কেউ বরণ করে নিতে কে চায়? বাঁচতে চেয়ে প্রয়োজন অনেক টাকা। টাকা হলেই একটা প্রাণ বেঁচে যেতে পারে, একজন মেধাবীর স্বপ্ন বেঁচে যেতে পারে। নিজেদের ৯ লাখ টাকা শেষ হয়ে গেছে। আর ট্রিটমেন্ট কন্টিনিউ করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে, দেশের বিশেষজ্ঞদের এই অভিমত। এই অবস্থায় শুধু দেশের মানুষের সহায়তাই বাঁচিয়ে তুলতে পারে নুসরাতকে।

নুসরাত সোশাল মিডিয়ায় বাঁচার আকুতি জানিয়ে একটি আবেগঘন লেখা লিখেছেন। ‘আমি নুসরাত মোস্তারী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ, ৩৩ ব্যাচ। সহকারী জজ, নারায়ণগঞ্জ। কখনো ভাবিনি এভাবে কিছু লিখবো। কিন্তু আজ নিতান্ত নিরুপায় হয়েই এ কাজ করছি। আমার জীবনে সবচেয়ে সুন্দর একটা সময় পার করছিলাম। মানুষ যা চায়, পড়াশোনা শেষ করে ভালো একটা চাকরি, মনের মতো একটা মানুষের সাথে ছোট্ট একটা সংসার এরপর হয়তো ছোট ছোট কিছু মুখ গুটিগুটি পায়ে আমাদের মাঝে ঘুরে বেড়াবে এই স্বপ্ন দেখছিলাম। কিন্তু হঠাত করেই আমার সব স্বপ্ন ভেংগে চুরমার হয়ে গেলো। ডাক্তার বললো ওভারিয়ান ক্যান্সার, অপারেশন করাতে গিয়ে পরীক্ষার সময় ধরা পরলো থাইরয়েড জটিলতা, সেইসাথে ব্রেস্ট এ সমস্যা থাকায় ম্যলিগন্যান্সি টেস্ট দিলো। পাগলের মতো টেস্ট করেছি, ডাক্তার দেখিয়েছি, অপারেশন করেছি, এখন ৪ নম্বর কেমোথেরাপি দিয়েছি। আরো দুটো কেমো আছে। সব কেমো শেষে একমাসের মধ্যেই গলায় অপারেশন করতে হবে বলেছে। দেশে বাকি চিকিৎসা করতে না করেছে, কারণ আমার সব জায়গাতেই জটিলতা দেখা দিয়েছে। কিন্তু সব চেয়ে বড় প্রয়োজন টাকার। এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আরো প্রায় ১৪-১৫ লক্ষ লাগবে। আমি আর পারছিনা। আমার বয়স মাত্র ২৯, আমি আরো কিছুদিন বাঁচতে চাই।’

নুসরাতকে সাহায্য করতে সরাসরি যোগাযোগ :
নুসরাত মোস্তারী, অ্যাকাউন্ট নম্বর – 1629501005771
সোনালী ব্যাংক লি., মানিক মিয়া এভিনিউ ব্রাঞ্চ, ঢাকা।

সরাসরি মোবাইলে বিকাশ নম্বরে সহায়তা পাঠানোর জন্য 01721276290 (পারসোনাল)

LEAVE A REPLY