নামাজে কে অংশ নেবেন, এ নিয়ে সংঘর্ষ

10

জুমার নামাজে সরকারের বেঁধে দেওয়া ১০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে কারা থাকবে তা নিয়ে ঢাকার দোহার উপজেলায় মসজিদে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

কার্তিকপুর বাজার জামে মসজিদে শুক্রবার দুপুরে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানায়।

আহতরা হলেন- ওই এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন ভূইয়া, আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, এজাজ আহমেদ মন্টু, জিন্নত সিকদার, জুবায়ের সিকদার ও মুয়াজ্জিন আবু সাইদ। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী শুক্রবার জুমার নামাজে সর্বোচ্চ দশজন জামাত আদায় করতে পারবে বলে ঈমাম ও মুয়াজ্জিন জানিয়ে দেন। কিন্তু তারপরও নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশ কয়েকজন মুসল্লি বেশি উপস্থিত হয়।

তারা অভিযোগ করেন, এ সময় মসজিদের মুয়াজ্জিন আবু সাঈদের কাছে লোকজন বেশি হওয়ার কারণ জানতে চান স্থানীয় চুন্নু মাদবরসহ তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে চুন্নুর ভাই ফরহাদ হোসেন ও তার আরেক ভাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পান্নুসহ বেশ কয়েকজন মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনসহ ছয়জনকে পিটিয়ে আহত করে।

আহতদের স্বজন কামাল উদ্দিন বলেন, “আনোয়ার হোসেনকে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে। অন্যদের অবস্থাও ভালো নয়। ”

এ বিষয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান পান্নু বলেন, “আমার বড় ভাই হাবিবুর মসজিদের নিচতলায় অতিরিক্ত লোক হওয়ায় তাদের দ্বিতীয় তলায় যাওয়ার অনুরোধ করেন।

“এ সময় আবুল ও আনোয়ার নামে দুইজন বলেন, কাউকে উপরের তলায় যেতে হবে না। এ নিয়ে হাবিব ভাইয়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তারা আমার বড় ভাইকে গালাগাল করে। পরে বিষয়টি হাতাহাতিতে গড়ায়। আমি বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করছি।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চর মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শাহ আলম বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY