নাসির হোসেন এর পারফর্মেন্সে জয় তুলে নিল ঢাকা ডায়নামাইটস

219

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর রবিবারের প্রথম খেলায় বল হাতে ভালো পারফর্মেন্সের পর ব্যাট হাতেও দারুণ করলেন নাসির। দলের দারুণ বিপদের মুহূর্তে ব্যাট হাতে দায়িত্ব নিলেন ‘দ্য ফিনিশার’। তার যোগ্য সঙ্গ দিয়ে গেলেন তরুণ অল-রাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৫৫ রানের জুটিতে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিল ঢাকা ডায়নামাইটস। নাসিরের ৩৪ রান ঢাকার ইনিংসের সর্বোচ্চ। সাকিব আল হাসান হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৬ রানেই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে বরিশালের। আবু জায়েদের বলে সেকুজে প্রসন্নর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান চলতি বিপিএলে দারুণ খেলতে থাকা শাহরিয়ার নাফীস। স্বভাববিরুদ্ধ ব্যাটিংয়ে ১৩ বল খেলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি। এরপর দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন অপর ওপেনার মুনারাবীরা। তিনি ৭ বলে ২ বাউন্ডারিতে ১০ রান করেন। দলীয় ৩৭ রানে আবারও রান আউটের দুর্ভাগ্য ভর করে বরিশালের ইনিংসে। ১৩ বলে ৭ রান করে ফিরে যান জীবন মেন্ডিস।

চতুর্থ উইকেটে ৪৭ রানের অতি প্রয়োজনীয় জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম এবং নাদিফ চৌধুরী। তারপরই ৩০ বলে ২ বাউন্ডারিতে ৩৬ রান করে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মুশফিক। নাদিফ চৌধুরীও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তার ২৫ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২১ রানের ইনিংসটি শেষ হয়ে রবি বোপাররা বলে সেকুজে প্রসন্নর দারুণ এক ক্যাচে। ডোয়াইন ব্র্যাভোর বলে প্রায় একইভাবে ছক্কা মারতে গিয়ে সানজামুল হকের হাতে ধরা পড়েন এনামুল হক ।

এরপর থিসারা পেরেরা এবং রুম্মান রইসের জুটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। ১৩ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় অপরাজিত ২৫ রান করেন রুম্মান। আর ১৫ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন পেরেরা।ঢাকার বোলারদের দাপটের মুখে পড়ে নির্ধারিত ওভারে ১৩৩ রানের টার্গেট দেয় বরিশাল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা। দলীয় ২ রানে তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান ওপেনার মেহেদী মারুফ । এরপর ৫১ রানের জুটি গড়ে দলের বিপদ সামাল দেন ওপেনার কুমার সাঙ্গাকারা এবং অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ৩৩ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩২ রান করা সাঙ্গাকারা তাইজুলের বল তুলে মারতে গিয়ে থিসারা পেরেরার হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

এরপর চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়েন নাসির হোসেন এবং তরুণ মোসাদ্দেক হোসেন। দলীয় ১১৩ রানে মনির হোসেনের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন নাসির। তিনি ২৯ বলে ২ চার  এবং ১ ছক্কায় ৩৪ রান করেন। এরপর মোসাদ্দেকের সঙ্গে জুটি বাঁধেন সেকুজে প্রসন্ন। জয় থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থাকতে কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেন। তিনি ২০ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২৩ রান করেন। ওই ওভারেই রান আউটের শিকার হয়ে ফিরে যান সেকুজে প্রসন্ন । এরপর ডোয়াইন ব্র্যাভো বাউন্ডারি মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

LEAVE A REPLY