পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস বিএনপি’র নাই “কামরুল হুদা”

577

দ্বি-বার্ষিক সসম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী’র বক্তব্যে কামরুল হুদা বলেন- পালিয়ে যাওয়ার রাজনীতি বিএনপি’র ইতিহাসে নাই। পালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস আপনাদের (আওয়ামীলীগ) আছে। ১/১১ সরকারের আমলে আপনারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ তখন কান ধরে উঠবস করেও বলেছিলেন জীবনে আর কোনোদিন রাজনীতি করবেন না।
বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে পালিয়ে গেছে একথা আপনাদের মুখে মানায় না। কেননা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের জন্য, দেশে গণতন্ত্রের জন্য স্বামী, সন্তান সব হারিয়েছেন। বেগম জিয়াকে এদেশে “মাদার অফ ডেমোক্রেসি” বলা যায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কামরুল হুদা এসব কথা বলেন।

ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ কামরুল হুদা। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন উপজেলা যুগ্ম আহবায়ক ওয়াহিদুর রহমান মজুমদার মুক্ত, নুর হোসেন বলাই, খোরশেদ কবির শিপন, নুরুন্নবী পাটোয়ারী নুরু ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম।
পৌর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ’র মধ্যে ছিলেন: সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ মজুমদার ও গাজী শহিদ।
বিভিন্ন ইউঃ বিএনপি নেতৃবৃন্দ’র মধ্যে ছিলেন: উজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিকুল হক, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন মজুমদার রুবেল।
কালিকাপুর ইউনিয়ন সভাপতি ডাঃ মীর আহমেদ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খোকন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান বাবুল।
চিওড়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান ও কাশিনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মামুন মজুমদার।
উপজেলা যুবদল নেতৃবৃন্দ’র মধ্যে ছিলেন: সভাপতি এম জাকারিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম জহির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, যুবদল নেতা কাদের মিয়াজী, মির্জা হিরণ,জাফর আহম্মেদ ও এম এ খায়ের মজুমদার।
উপজেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ’র মধ্যে ছিলেন: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান মনির, প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, উপজেলা ছাত্রদল নেতা বিল্লাল হোসেন ও খালেদ সাইফুল্লাহ।
উপজেলা মহিলাদল নেতৃবৃন্দ’র মধ্যে ছিলেন : আহবায়ক গুলশান আরা বেগম পুতুল প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে সর্ব সম্মতিক্রমে আলী আহম্মদ’কে সভাপতি, আহসান হাবিব’কে সাধারণ সম্পাদক ও মনির হোসেন’কে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: সিনিয়র সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি আবদুল মতিন আর্মি, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল মতিন(অবঃ) বিডিআর, সোলেমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলেমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন।
এরপর ‘বিএনপি ভিশন-২০৩০’ বইটি নেতাকর্মীদের মাঝে বিতরণ করা হয় ও ফরম পুরনের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং পুরাতন সদস্যদের প্রাথমিক সদস্য পদ নবায়ন করা হয়।

LEAVE A REPLY