শীর্ষে থাকা রংপুরকে ১২ রানে হারিয়েছে রাজশাহী

153

সপ্তম ম্যাচে এটি তাদের তৃতীয় জয়। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা রংপুরকে হারানোর আগে রাজশাহীর আগের দুটি জয় ছিল অন্যতম শীর্ষ দল ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে।

স্যামির শেষ দিকের ইনিংসে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬২ রান তুলেছিল রাজশাহী। মিঠুনের ৩৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসের পরও রংপুর থমকে যায় ৫ উইকেটে ১৫০ রানে।

রাজশাহীর ইনিংসটাও যেন মাঝপথে পড়েছিল নুইয়ে। কিন্তু ড্যারেন স্যামির ব্যাটে শেষ দিকে ইনিংস দাঁড়াল মেরুদণ্ড সোজা করে। অধিনায়ককে দারুণ সঙ্গ দিলেন উমর আকমল। বিপিএলে স্যামি ও আকমলের শেষ দিকের ঝড়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬২ রান করেছে রাজশাহী কিংস।

ষষ্ঠ উইকেটে ৩৭ বলে ৭০ রানের জুটি গড়েছেন স্যামি ও আকমল। ১৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন স্যামি; ৩০ বলে ৩৩ রানে আকমল।

ম্যাচের শুরুটা ছিল নাটকীয়তায় ভরা। দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারিতে শুরু করেছিলেন মুমিনুল হক। পরের বলেই সোহাগ গাজী জবাব দেন আর্ম বলে এলবিডব্লিউ করে। নতুন ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান উইকেটে গিয়ে এক বল পরই বেরিয়ে এসে ছক্কা!

সাব্বির ও জুনায়েদ সিদ্দিক উইকেটে থাকার সময় ব্যাটিং মনে হচ্ছিলো খুবই সহজ। রুবেল হোসেনের তিন বলের মধ্যে দুটি চার মারেন জুনায়েদ, আরাফাত সানির তিন বলে দুটি সাব্বির।

৩৪ বলে ৪৭ রানের জুটি ভাঙেন সেই সানিই। বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে অনেক নীচু হওয়া বলের নাগাল পাননি সাব্বির। ২৪ বলে ৩১ করে স্টাম্পড আসরের একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান।

জুনায়েদ ও সামিত প্যাটেলও ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন জুটি গড়ার। ১০ ওভারে রান ছিল ৭৫। কিন্তু উইকেটে তখন বল নীচু হচ্ছে প্রায় নিয়মিতই। এক ওভারে ম্যাচের চিত্রও অনেকটা বদলে দিলেন লিয়াম ডসন। একাদশ ওভারের প্রথম বলে ফেরালেন জুনায়েদকে, শেষ বলে প্যাটেলকে।

ছয়ে প্রমোশন পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। মুক্তার আলির বলটি নীচু হয়েছিল, তবে মিরাজের শটও ছিল বাজে।

রাজশাহী তখন দিশাহারা, ১৪ ওভারে ৯২ রানে নেই ৫ উইকেট। দক্ষ নাবিকের মতোই দলকে স্বস্তির তীরে নিয়ে গেলেন স্যামি। পাশে পেলেন আকমলকে।

মূলত শেষ ৩ ওভারেই রংপুরকে তুলোধুনো করে ছাড়েন স্যামি ও আকমল। ১৭ ওভার শেষেও আকমলের রান ছিল ২০ বলে ১৪। পরের ১০ বলে করেন ১৯ রান। স্যামির রান ছিল ১০ বলে ৯। পরের ৮ বলেই চারটি ছক্কা ও ২ চারে করেন ৩৫ রান!

শেষ ৩ ওভারেই এসেছে ৫৫ রান। আনোয়ার আলীর শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে চার ও ছক্কা মারেন আকমল। শেষ দুই বলে দু ছক্কায় শেষ করেন স্যামি।

LEAVE A REPLY