সাড়ে ১০ লাখ টাকার ভারতীয় মালামালসহ সুনামগঞ্জে দুই সহোদর চোরাকারবারী আটক

12

সাইফ উল্লাহ, সুনামগঞ্জ,
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামালসহ কিতাব আলী ও শফিকুল ইসলাম মিয়া নামে দুই সহোদর চোরাকারবারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার রাতে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদর বাজারের নৌঘাট থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত কিতাব আলী ও শফিকুল তারা দুই সহোদর ব্রাম্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বলাকট ইউনিয়নের বালিকুলা গ্রামের মৃত হাজি শুকুর মিয়ার ছেলে।

বৃহস্পতিবার র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জ ক্যাম্প সুত্র জানায়, র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার ফয়সল আহমদের নেতৃত্বে বুধবার রাতে নৌ পথে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল সহ তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, ৪৬০৮ পিস ভারতীয় অয়েফার কোকোলা চকলেট, জুনিয়র হরলিকস ১,৬৫১ টি, জনসন মিলক ক্রিম ১৯২, জনসন বেবী লোশন সহ আরো অন্যান্ন। আটককৃত এসব ভারতীয় পণ্যের মুল্য প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা।

র‌্যাবের দায়িত্বশীলদের ধারণা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ডলুরা বর্ডার হাট (সীমান্ত হাট) কে কেন্দ্র করে কয়েক টি চোরাকারবারীকে চক্র বিনাশুল্কে এসব ভারতীয় চোরাই মালামাল নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন শহর, হাট বাজার এলাকায় সরবরাহ করছে, যা দেশীয় শিল্পের জন্য হুমকি সরুপ এবং মাণি লন্ডারিং’র মত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন অনেকেই।

এদিকে দুই সহোদর চোরাকারবারীকে আটকের পর এ চোরাচালান বাণিজ্যের মূলহোতা বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি গ্রামের মৃত আরব আলীর ছেলে আলতাফ হোসেন কৌশলে পালিয়ে যায়।বলে জানা যায়।

বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতীয় চোরাই মালামাল আটকের ঘটনায় দু’জনকে আটক ও পালিয়ে যাওয়া আলতাফকে পলাতক আসামী দেখিয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে রাতেই একটি মামলা দায়ের করা হয়।

LEAVE A REPLY